Palash Biswas On Unique Identity No1.mpg

Unique Identity No2

Please send the LINK to your Addresslist and send me every update, event, development,documents and FEEDBACK . just mail to palashbiswaskl@gmail.com

Website templates

Zia clarifies his timing of declaration of independence

What Mujib Said

Jyoti basu is DEAD

Jyoti Basu: The pragmatist

Dr.B.R. Ambedkar

Memories of Another Day

Memories of Another Day
While my Parents Pulin Babu and basanti Devi were living

"The Day India Burned"--A Documentary On Partition Part-1/9

Partition

Partition of India - refugees displaced by the partition

Sunday, August 30, 2015

বন্‌ধ ঠেকাতে গেলে আগুন জ্বলবে

বন্‌ধ ঠেকাতে গেলে আগুন জ্বলবে


Biman Basu 20-06-15নিয়ে দিল কেন্দ্রীয় শ্রমিক সংগঠন, রাজ্যের ১৭টি বামপন্থী দল। রাজ্য সরকারকে সতর্ক করে তাদের বার্তা, আগুনে হাত দিতে আসলে হাত পুড়বে। যুদ্ধ চাপালে যুদ্ধ হবে। ধর্মঘট রুখতে শনিবার কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। তিনি জানান, প্রশাসনের কী রূপ সেটা এখনও দেখেনি বামেরা। এদিন পর্যন্ত সেই কথা উড়িয়ে ধর্মঘট সফল করতে রাস্তায় থাকার বার্তা দিয়েছে কেন্দ্রীয় শ্রমিক সংগঠন, ১৭টি বামপন্থী দল। তাদের কটাক্ষ, ধর্মঘট ডাকা হয়েছে কেন্দ্র সরকারের নীতির বিরুদ্ধে। রাজ্য সরকার বনধের বিরোধিতা করলে বোঝা যাবে তারা কেন্দ্রের সঙ্গে সেটিং করেছে। এদিন সি পি এম রাজ্য দপ্তরে, শ্রমিক ভবনে আলাদা আলাদা সাংবাদিক বৈঠকের আয়োজন করা হয়েছিল। সি পি এম রাজ্য দপ্তরে বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু জানান, ২ সেপ্টেম্বরের ধর্মঘট সমর্থন করছে ১৭টি বামপন্থী দল। সর্বত্র রাস্তায় থাকবেন বাম কর্মীরা। ধর্মঘট সফল করতে যা করণীয় বাম দল, শ্রমিক সংগঠনগুলি তার প্রস্তুতি নিচ্ছে। এদিন শ্রমিক ভবনে সিটু রাজ্য সভাপতি শ্যামল চক্রবর্তীর দাবি, ধর্মঘট রুখতে রাজ্য সরকার, তৃণমূল কংগ্রেস, মুখ্যমন্ত্রী সোচ্চার। কিন্তু ধর্মঘট রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে নয়। তার পরও ধর্মঘট ভাঙতে আসলে বোঝা যাবে কেন্দ্র সরকারের সঙ্গে তাদের সেটিং হয়ে গেছে। রাজ্যের মানুষ পিছু হটবেন না। শান্তিপূর্ণ না অশান্তিপূর্ণ তা নির্ভর করছে সরকারের ওপর। রাস্তায় আমাদের স্বেচ্ছাসেবকরা থাকবেন। শ্রমিকদের পাশে রয়েছেন কৃষক, ছাত্র, যুবরা। এদিন বিমান বসু বলেন, ২ সেপ্টেম্বর বাম নেতৃত্ব কর্মীদের রাস্তায় থাকতে হবে। ওই দিন মিছিল করার জন্য কলকাতা জেলা বামফ্রন্টকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অত্যাচার করে মানুষকে ঠান্ডা করার ইতিহাস নেই পৃথিবীতে। অত্যাচারীরা ইতিহাস তৈরি করতে পারেননি। দেশের অসংগঠিত শিল্প শ্রমিকের সামাজিক সুরক্ষা নেই। রাজ্য সরকার দক্ষিণপন্থী নীতির মাধ্যমে মানুষকে দমন করতে চাইছে। এর প্রতিবাদে সোচ্চার হতে রাস্তাকেই রাস্তা হিসেবে বেছে নিতে হবে। মানুষ অংশ নিয়ে ধর্মঘট সফল করবে। দমন করে সবাইকে ঘরে ঢুকিয়ে দিতে পারবে না রাজ্য। শ্রমিক ভবনে উপস্থিত ছিলেন সিটু রাজ্য সভাপতি শ্যামল চক্রবর্তী, সম্পাদক দীপক দাশগুপ্ত, দেবাঞ্জন চক্রবর্তী, এ আই টি ইউ সি নেতা রণজিৎ গুহ, আই এন টি ইউ সি নেতা রমেন পান্ডে–সহ কেন্দ্রীয় শ্রমিক সংগঠনের নেতা অশোক ঘোষ, দিলীপ ভট্টাচার্য, এইচ এম এসের দীনেশ গিরি প্রমুখ। দীপকবাবু বলেন, যত আক্রমণ আসুক, যে–কোনও ঘটনা ঘটুক সর্বাত্মক বন্‌ধ হবে। বনধের আওতা থেকে জল, দুধ, সংবাদমাধ্যম, স্বাস্থ্য পরিষেবা, দমকল, কবরস্থান, শ্মশান–সহ জরুরি পরিষেবা বাদ রাখা হয়েছে। শ্যামলবাবু বলেন, রাজ্য ধর্মঘট ভাঙতে আসলে বুঝতে হবে কেন্দ্রের সঙ্গে সম্পূর্ণ সেটিং হয়ে গেছে যাতে সারদা–কাণ্ডের চোরেদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেওয়া হয়। সেই সঙ্গে কেন্দ্রের সব জনবিরোধী বিল পাস করিয়ে দাও। তবে আগুনে হাত দিলে হাত পুড়বে। যুদ্ধ চাপিয়ে দিলে যুদ্ধ হবে। ১৭টি বাম দল, প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরি, কংগ্রেস নেতা মানস ভুঁইয়া ধর্মঘট সমর্থন করায় তাদের ধন্যবাদ জানাচ্ছি। দীপকবাবু বলেন, বি এম এস–কে আবেদন করব তারা যাতে ধর্মঘটে সামিল হয়। রমেন পান্ডের দাবি, দলমত নির্বিশেষে শ্রমজীবী মানুষ পাশে দাঁড়াবে। রণজিৎ গুহ জানান, শান্তিপূর্ণভাবে ধর্মঘট পালন করব।

৪৮ ঘণ্টা পরেও হদিশ নেই বস্তা ভর্তি প্রশ্নের, টেট কেলেঙ্কারিতে 'দিদি'র ভাইপোকে দায়ী করলেন বিমান

৪৮ ঘণ্টা পরেও হদিশ নেই বস্তা ভর্তি প্রশ্নের, টেট কেলেঙ্কারিতে 'দিদি'র ভাইপোকে দায়ী করলেন বিমান

ব্যুরো: টেটের প্রশ্ন ভর্তি বস্তা উধাওযের পর কেটে গিয়েছে আটচল্লিশ ঘন্টার ও বেশি সময়।  এখনও বস্তার হদিশ নেই। এরই মধ্যে আগামিকাল  নবান্নে ফের বৈঠকে বসছেন শিক্ষামন্ত্রী। সেক্ষেত্রে পরবর্তী পরীক্ষার ক্ষেত্রে ডাক বিভাগকে ফের দায়িত্ব দেওয়া হবে কিনা সেবিষয়ে চূড়ান্ত  সিদ্ধান্ত হতে পারে।

টেটের প্রশ্নফাঁস কাণ্ডে দুই তৃণমূল সাংসদ অভিষেক ব্যানার্জি ও কল্যাণ ব্যানার্জির দিকে আঙুল তুললেন বিমান বসু। তাঁর অভিযোগ, প্রশ্নফাঁস কাণ্ডে গ্রেফতার করা হয়েছে ডাক বিভাগের দুই কর্মীকে। ওই দুজন আইএনটিটিইউসির নেতা এবং তৃণমূল সাংসদ অভিষেক ব্যানার্জি ও কল্যাণ ব্যানার্জির ঘনিষ্ঠ। প্রশ্নফাঁসের গোটা ঘটনাই সাজানো বলে অভিযোগ করেছেন বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান।

উধাও বস্তাভর্তি প্রশ্নপত্র। ঘটনার পরদিনই থানায় অভিযোগ দায়ের করেছিল ডাক বিভাগ।  তারও একদিন পর মধ্যশিক্ষা পর্ষদ অভিযোগ দায়ের করে । কিন্তু অভিযোগ করাই সার। এখনও পর্যন্ত কেউ গ্রেফতার হয়নি। এমনকি প্রশ্নের বস্তা কোন জায়গা থেকে উধাও হল তারও উত্তর নেই। কিন্তু কেন । একটা এত বড় পরীক্ষা যেখানে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় ২২ লক্ষ সেখানে কেন এই ঢিলেমি।

প্রথমত- ঘটনার একদিন পরে অভিযোগ দায়ের করছে ডাক বিভাগ

দ্বিতীয়ত- মধ্যশিক্ষা পর্ষদ যখন গুনে দেখল একটা বস্তা প্রশ্ন কম , তখন সেখানে উস্থিত ছিল পুলিস। কিন্তু পর্ষদ তখন কোনও অভিযোগ দায়ের করল না। ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর অর্থাত্ বস্তা হাপিস হওয়ার দুদিন পর থানায় অভিযোগ দায়ের করল।

তৃতীয়ত --বস্তার হদিশ তো দূরের কথা, কোন জায়গা থেকে বস্তা হারিয়েছিল তাও এখনও স্পষ্ট হয়নি।

আর স্বভাবতই প্রশ্ন উঠছে  কেন এই ঢিলেমি? এত বড় কান্ড যাতে রাজ্যের মুখ পুড়ল তাতে  যে গুরুত্ব দেওয়া উচিত ছিল তার ছিটে ফোঁটাও কেন দেখা যাচ্ছেনা। কারিগরি শিক্ষার প্রশ্ন ফাঁসের পর সিআইডি তদন্তে উঠে এসেছিল একের পর এক তৃণমূল নেতার নাম । অনেকেরই অনুমান, এক্ষেত্রেও বিষয়টা তেমন কিছু নয় তো? সেজন্যই এই ঢিলেমি। কারণ সেদিন বাসে ছিলেন ছ-জন লোক। যার মধ্যে দু-জন পুলিশ কর্মী, দু জন ডাক বিভাগের লোক আর চালক এবং খালাসি। এতগুলো লোকের মাঝখান থেকে হঠাত্ অত বড় বাসের পিছনের কাঁচ ভেঙে আস্ত একটা বস্তা পড়ে গেল, তাও কি সম্ভব?



ময়নাতদন্তের পক্রিয়াতে গতি আনতে মঞ্চ গড়ল সরকার, চালু হল ওয়েবসাইটওময়নাতদন্তের পক্রিয়াতে গতি আনতে মঞ্চ গড়ল সরকার, চালু হল ওয়েবসাইটও

অস্বাভাবিক মৃত্যুর তদন্তে ময়নাতদন্ত এবং  ফরেনসিক পরীক্ষা ছাড়া উপায় নেই। কিন্তু পরিকাঠামোর অভাব কিম্বা রিপোর্ট পেতে দেরি। সবমিলিয়ে বারেবারেই ধাক্কা খায় তদন্তপ্রক্রিয়া। তদন্তে গতি আনতে এবার ফরেনসিক মেডিসিনকে এক ছাতার তলায় আনার প্রচেষ্টায় রাজ্য সরকার।  

ময়নাতদন্তের পক্রিয়াতে গতি আনতে মঞ্চ গড়ল সরকার, চালু হল ওয়েবসাইটওময়নাতদন্তের পক্রিয়াতে গতি আনতে মঞ্চ গড়ল সরকার, চালু হল ওয়েবসাইটও

অস্বাভাবিক মৃত্যুর তদন্তে ময়নাতদন্ত এবং  ফরেনসিক পরীক্ষা ছাড়া উপায় নেই। কিন্তু পরিকাঠামোর অভাব কিম্বা রিপোর্ট পেতে দেরি। সবমিলিয়ে বারেবারেই ধাক্কা খায় তদন্তপ্রক্রিয়া। তদন্তে গতি আনতে এবার ফরেনসিক মেডিসিনকে এক ছাতার তলায় আনার প্রচেষ্টায় রাজ্য সরকার।  

বিয়ের চাপ দেওয়ায় সুচেতা ও তার মেয়েকে খুন করি, স্বীকার সমরেশেরবিয়ের চাপ দেওয়ায় সুচেতা ও তার মেয়েকে খুন করি, স্বীকার সমরেশের

মা ও মেয়ের খুনের কিনারা করল পুলিস। দুর্গাপুরের বিধাননগর আবাসনের বাসিন্দা সুচেতা চক্রবর্তী ও তাঁর ছবছরের মেয়েকে খুন করেছে সমরেশ সরকারই। জেরায় স্বীকার অভিযুক্তের। অভিযুক্ত জানিয়েছে, তাঁর ও সুচেতার মধ্যে বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক ছিল। ইদানিং তাকে বিয়ে করার জন্য চাপ দিচ্ছিলেন সুচেতা। সেই কারণেই সুচেতা ও তাঁর মেয়েকে খুন করেছে সে। শুক্রবার সকালে দুর্গাপুরের বিধাননগর আবাসনেই মা ও মেয়েকে খুন করে সমরেশ। প্রথমে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে আচ্ছন্ন করে দেওয়া হয় দুজনকে। তারপর গলায় ফাঁস দিয়ে মা ও মেয়েকে খুন করে সমরেশ।

গঙ্গায় লাশ ফেলা কাণ্ডে ধৃত সমরেশকে নিয়ে যাওয়া হল সুচেতার বাড়ি দুর্গাপুরেগঙ্গায় লাশ ফেলা কাণ্ডে ধৃত সমরেশকে নিয়ে যাওয়া হল সুচেতার বাড়ি দুর্গাপুরে

রাতেই ধৃত সমরেশ সরকারকে নিয়ে যাওয়া হয় সুচেতার বাড়ি দুর্গাপুর নিউ টাউনশিপে বিধাননগর হাউজিং এস্টেটে।  আবাসনের সামনে তখন বিরাট ভিড়।  গাড়ি থেকে আর নামানো হয়নি সমরেশকে। তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় বিধাননগর পুলিস ফাংসিতে। পরে রাত দেড়টা নাগাদ  শুধু পুলিস  গিয়ে সুচেতার ফ্ল্যাটে তল্লাসি চালায়। রাতেই ফের ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয় সমরেশকে।

শিশু কন্যা সহ প্রেমিকার টুকরো টুকরো লাশ ব্যাগে ভরে গঙ্গায় ফেলতে গিয়ে ধরা পড়লেন ব্যাঙ্ক অফিসারশিশু কন্যা সহ প্রেমিকার টুকরো টুকরো লাশ ব্যাগে ভরে গঙ্গায় ফেলতে গিয়ে ধরা পড়লেন ব্যাঙ্ক অফিসার

ব্যাগ ভর্তি টুকরো টুকরো লাশ। দু-দুজনের লাশ টুকরো করে, ব্যাগে ভরে গঙ্গায় ফেলতেই, ধরা পড়ে গেলেন ব্যাঙ্কের অফিসার। শিনা-হত্যাকাণ্ড নিয়ে দেশজুড়ে তোলপাড়ের মধ্যে, আরও এক শিউরে ওঠার মতো কাণ্ড হুগলির শ্রীরামপুরে।     

ফাঁস টেটের প্রশ্ন: অবশেষে দায়ের এফআইআরফাঁস টেটের প্রশ্ন: অবশেষে দায়ের এফআইআর

টেটের প্রশ্ন ফাঁসকাণ্ডে অবশেষে দায়ের হল এফআইআর। ডাক বিভাগের দুই কর্মীর বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করেন মধ্যশিক্ষা পর্ষদের প্রশাসক। পাল্টা রাজ্যকেই টার্গেট করলেন চিফ পোস্টমাস্টার জেনারেল। তাঁর দাবি,সব দোষ ডাক বিভাগের ঘাড়ে চাপিয়ে দায় এড়াচ্ছে সরকার।মাঝপথেই প্রশ্নপত্র লোপাট। ফের বাতিল টেট।  দুর্ভোগের শিকার লক্ষ লক্ষ পরীক্ষার্থী। মান বাঁচাতে পরীক্ষা পিছনোর ঘোষণা শিক্ষামন্ত্রীর।

জাতীয় খাদ্য সুরক্ষা আইন: শুরু ফর্ম বিলি ও সার্ভে, বাড়ছে বিভ্রান্তি, সময়সীমা বাড়ানোর অনুরোধ বিরোধীদের জাতীয় খাদ্য সুরক্ষা আইন: শুরু ফর্ম বিলি ও সার্ভে, বাড়ছে বিভ্রান্তি, সময়সীমা বাড়ানোর অনুরোধ বিরোধীদের

খাদ্য সুরক্ষার আওতাভুক্ত হওয়ার জন্য প্রতিদিনই বোরো অফিসগুলিতে লম্বা লাইন। গুজব রটেছে অনেকেরই হয়ত বাতিল হবে রেশন কার্ড। বিরোধীরা এই অব্যবস্থার জন্য দুষছে সরকারকে। অভিযোগ তুলেছেন তালিকা নিয়ে রাজনীতিরও। সময়সীমা বাড়ানোর জন্য হাইকোর্টের দ্বারস্থ হচ্ছেন তাঁরা। সাধারণ মানুষকে জাতীয় খাদ্যসুরক্ষার আওতায় আনতে শুরু হয়েছে ফর্ম বিলি ও সার্ভের কাজ।  

গঙ্গায় লাশ ভর্তি ব্যাগ ফেলতে এসে ধৃত প্রেমিক গঙ্গায় লাশ ভর্তি ব্যাগ ফেলতে এসে ধৃত প্রেমিক

তিনটি ব্যাগভর্তি লাশ গঙ্গায় ফেলতে এসে, হাতেনাতে ধরা পড়লেন ব্যাঙ্কের ম্যানেজার। নাম সমরেশ সরকার। দুটি ব্যাগে প্রেমিকার খণ্ডবিখণ্ড দেহ। আরেকটিতে প্রেমিকার ছ-বছরের মেয়ের দেহ। তিনটি ব্যাগ নিয়ে শেওড়াফুলি থেকে ব্যারাকপুর যাওয়ার নৌকোয় ওঠেন তিনি। ব্যারাকপুরে ঘাটে নামার পর, ট্রলির হাতল ভেঙে যায়। ঘাট থেকেই ফের শেওড়াফুলি যাওয়ার নৌকো ধরেন তিনি। নৌকো যখন মাঝনদীতে, সেসময় এক এক করে তিনটি ট্রলি জলে ফেলে দেন সমরেশ সরকার। সন্দেহ হয় যাত্রীদের।জেরার মুখে তিনি স্বীকার করেছেন, তিনটি ব্যাগেই লাশ ভরা রয়েছে। দেহগুলি মা আর মেয়ের। ইতিমধ্যে দুটি ট্রলি উদ্ধার করেছে পুলিস। তাতে মিলেছে মায়ের দেহাংশ।       

মাতৃভূমি নিয়ে দাদাগিরি-দিদিগিরি নয়, রাখি বেঁধে গান্ধীগিরিতে মহিলা যাত্রীরা  মাতৃভূমি নিয়ে দাদাগিরি-দিদিগিরি নয়, রাখি বেঁধে গান্ধীগিরিতে মহিলা যাত্রীরা

মাতৃভূমি নিয়ে গত কদিন অনেক দাদাগিরি-দিদিগিরি সাক্ষী হয়েছে রেল। এবার রাখি পূর্ণিমায় তা বদলে গেল গান্ধীগিরিতে। আজ সকালে মাতৃভূমি লোকালের কিছু মহিলা যাত্রী ভেন্ডার কামরায় পুরুষ যাত্রীদের হাতে রাখি বেঁধে দেন। বনগাঁ স্টেশনের প্ল্যাটফর্ম এবং দাঁড়িয়ে থাকা অন্য ট্রেনের কামরায় উঠেও পুরুষ যাত্রীদের হাতে রাখি বেঁধে দেন তাঁরা। তাঁদের মতে, মাতৃভূমি লোকাল নিয়ে রেষারেষি নারী-পুরুষের দ্বন্দ্ব বাড়িয়ে দিচ্ছে। সেই লিঙ্গ বৈষম্যের বিরুদ্ধে তাঁরা রাখি বন্ধনে কর্মসূচি নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন ওই মহিলা যাত্রীরা।

সবংয়ে ছাত্র খুনের ঘটনায় মুখ্যমন্ত্রীর দাবিকে শিলমোহর দিয়ে অভিযোগকারী ছাত্রকেই গ্রেফতার করল পুলিসসবংয়ে ছাত্র খুনের ঘটনায় মুখ্যমন্ত্রীর দাবিকে শিলমোহর দিয়ে অভিযোগকারী ছাত্রকেই গ্রেফতার করল পুলিস

মুখ্যমন্ত্রীর অর্ন্তকলহ তত্ত্বেই শিলমোহর পুলিসের। সবং কলেজে ছাত্র খুনের ঘটনায় অভিযোগকারীকেই গ্রেফতার পুলিসের। গ্রেফতার কলেজের ছাত্র সংসদের সাধারণ সম্পাদক সৌমেন গাঙ্গুলি। ফের দলদাসের ভূমিকায় পুলিস। অভিযোগ বিরোধীদের।

সাহায্যের নামে প্রতারণা, তরুণীকে বোকা বানিয়ে ATM থেকে ১০ হাজার টাকা তুলে চম্পট ২ যুবক  সাহায্যের নামে প্রতারণা, তরুণীকে বোকা বানিয়ে ATM থেকে ১০ হাজার টাকা তুলে চম্পট ২ যুবক

এটিএম থেকে টাকা তুলতে গিয়ে প্রতারণার শিকার তরুণী। শুক্রবার বেলা সাড়ে এগারোটা নাগাদ মধ্যমগ্রামের ডোমতলার বাসিন্দা পম্পা রায় স্থানীয় এটিএম থেকে টাকা তুলতে যান। এটিএম মেশিনে সমস্যা থাকায় টাকা বেরোচ্ছিল না। তখনই দুই যুবক তরুণীকে সাহায্যের জন্য এগিয়ে আসে। কায়দা করে তরুণীর এটিএম কার্ডের পাসওয়ার্ড জেনে নেয়। এরইফাঁকে তরুণীর এটিএম কার্ড নিয়ে পরিবর্তে অন্য একটি কার্ড বদলে নেয় তারা। এরপর চলে যায় দুই যুবক। কিছুক্ষণের মধ্যেই তরুণীর কাছে এসএমএস আসে দশহাজার টাকা তুলে নেওয়ার। তখন তরুণী বুঝতে পারেন গোটা ঘটনা। মধ্যমগ্রাম থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন তরুণী। সিসিটিভির ফুটেজ খতিয়ে দেখছে পুলিস।

অতুল্য ঘোষের ১১২তম জন্মদিনে সংবর্ধিত রামকৃষ্ণ মিশন ও বাঁকুড়া জেলা স্কুলের কৃতীরা  অতুল্য ঘোষের ১১২তম জন্মদিনে সংবর্ধিত রামকৃষ্ণ মিশন ও বাঁকুড়া জেলা স্কুলের কৃতীরা

প্রয়াত অতুল্য ঘোষের একশো বারোতম জন্মদিন উদযাপন শুরু  হল  শুক্রবার। ডক্টর বি সি রায় মেমোরিয়াল কমিটির উদ্যোগে  চারদিন ধরে চলবে নানা অনুষ্ঠান। এদিন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের সদস্যদের সংবর্ধিত করা হয়। অতুল্য ঘোষ সম্মানে সম্মানিত হন নারায়ণ দেবনাথ, সুপ্রিয় ঠাকুর, রুদ্রপ্রসাদ সেনগুপ্ত, মোস্তাক হোসেন এবং স্নেহাশিস শূর । মাধ্যমিকে চোখ ধাঁধানো সাফল্যের জন্য নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশন ও বাঁকুড়া জেলা স্কুলের প্রতিনিধিদেরও এদিন সংবর্ধিত করা হয়। বিশিষ্ট অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন প্রাক্তন বিচারপতি শ্যামলকুমার সেন এবং সাহিত্যিক সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়।

--
Pl see my blogs;


Feel free -- and I request you -- to forward this newsletter to your lists and friends!

No comments:

Post a Comment